• ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ১২ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Return

কলকাতা

ভবানীপুরে বড় বিতর্ক! শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠকে বসানোয় তৃণমূলের বিস্ফোরক অভিযোগ, নড়েচড়ে কমিশন

ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী-র ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তিকে রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এই অভিযোগ সামনে আসতেই নির্বাচন কমিশনের দফতরে চিঠি পাঠানো হয়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে কমিশন এবং রাজ্যের কাছে নতুন করে নাম চাওয়া হয়েছে।নন্দীগ্রামের বিডিও সুরজিৎ রায়কে ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসার করা নিয়ে আপত্তি জানায় তৃণমূল। এই কেন্দ্রের প্রার্থী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও এ নিয়ে সরব হন। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখা জরুরি, তাই এমন নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।গত সোমবার একসঙ্গে ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসারকে বদলি করে নির্বাচন কমিশন। সেই তালিকাতেই ছিল সুরজিৎ রায়ের নাম। তিনি আগে নন্দীগ্রামের বিডিও ছিলেন, যে কেন্দ্রের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। বর্তমানে ভবানীপুর কেন্দ্রেই বিজেপির প্রার্থী হিসেবে তিনি লড়ছেন এবং সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। ফলে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ নিয়ে তৃণমূলের সতর্কতা আরও বেড়েছে।সূত্রের খবর, তৃণমূলের পক্ষ থেকে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতর এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি পাঠানো হয়। গত চব্বিশ মার্চ সেই চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এরপর কমিশনের তরফে রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্যন্ত নারিওয়ালাকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। সেখানে রিটার্নিং অফিসার পদে তিনজনের নাম প্রস্তাব করতে বলা হয়েছে।এদিকে বৃহস্পতিবার রাতেও আরও ২৩ জন রিটার্নিং অফিসারকে বদলি করা হয়েছে। যাদবপুর, কাঁথি, হলদিয়া, ময়না, সোনামুখী-সহ একাধিক কেন্দ্রে এই পরিবর্তন করা হয়েছে। যে কোনও নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পুরো ভোট প্রক্রিয়া পরিচালনার দায়িত্ব তাঁদের উপরেই থাকে।এই পরিস্থিতিতে ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই ধরনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাপানউতোর বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
কলকাতা

আজ গীতশ্রীর শেষকৃত্য, উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী

সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর পেয়ে উত্তরবঙ্গ সফর মাঝপথে ছেড়েই কলকাতায় ফিরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার কোচবিহারে ছিলেন তিনি। সেখানেই গীতশ্রীর মৃত্যুর খবর পৌঁছয় তাঁর কাছে। সেখান থেকে কলকাতায় প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে নিজের সফরসূচিতে কাঁটছাট করেন মমতা। জানিয়ে দেন, বুধবার সরকারি তত্ত্বাবধানেই হবে সন্ধ্যার শেষকৃত্য।কলকাতা পুলিশ ইতিমধ্যেই যাবতীয় প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। মমতা বলেন, কোচবিহারে আমার সভা রয়েছে। কিন্তু সন্ধ্যাদির মৃত্যু খবর পেয়ে মন খারাপ হয়ে গেল। তাই বুধবার দ্রুত কাজ সেরে আমি কলকাতায় ফিরে আসছি। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার সর্ব্বোচ্চ সম্মান দিয়ে সন্ধ্যার শেষকৃত্য করবে। আজ বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রবীন্দ্রসদনে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা নিবেদন করা যাবে। বিকেলে দক্ষিণ কলকাতার ক্যাওড়াতলা মহাশ্মশানে রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে পূর্ণ মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।মঙ্গলবার কোচবিহারে অনন্ত মহারাজের একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী। তারপর উত্তরবঙ্গের শিল্পপতিদের সঙ্গেও তাঁর বৈঠক কর্মসূচি রয়েছে। সেই কর্মসূচি দ্রুত শেষ করে কলকাতায় ফিরে আসবেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

Digha: রাতারাতি দিঘা ছাড়ার হুড়োহুড়ি পর্যটকদের

সোমবার থেকে ঘুরে বেড়ানো যাবে না দিঘা সমুদ্র সৈকতে। এমনকী সমুদ্রের ঢেউয়ে পা ডোবানোও মানা পর্যটকদের। সরকার রাজ্যজুড়ে কঠোর বিধিনিষেধের ঘোষণা করার পরই সিদ্ধান্ত নিল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। রাজ্যজুড়ে করোনার ক্রমবর্ধমান সংক্রমণে রাশ টানতে রবিবার বেশ কিছু কঠোর বিধিনিষেধের ঘোষণা করেছে সরকার। এর ফলে সোমবার থেকেই তালা ঝুলেছে রাজ্যের পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে। তাই বিধিনিষেধ ঘোষণার পর থেকে তৎপর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনও। রবিবার রাত থেকেই দিঘা সৈকতে মাইক নিয়ে প্রচারে নেমেছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।ঘোষণার পর থেকে দিঘার পাশাপাশি মন্দারমণি, তাজপুর-সহ সৈকতনগরী ছেড়ে বাড়ি যাওয়ার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায় পর্যটকদের মধ্যে। যারা নিজস্ব গাড়ি এনেছেন, তাঁদের কিছুটা স্বস্তি থাকলেও চরম ভোগান্তির মুখে ট্রেন বা বাসে সফর করে দিঘায় বেড়াতে আসা যাত্রীরা। রাতেই অনেকে হোটেল ছেড়ে বাড়ি ফেরার জন্য স্টেশন ও বাসস্ট্যান্ডে জড়ো হতে শুরু করেন। তবে বাস বা ট্রেন না পেয়ে রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়েন তারা।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Bright Enobakhare: কলকাতায় ফিরছেন ব্রাইট এনবাখারে? কোন ক্লাবে জানতে পড়ুন

আবার আইএসএলে খেলতে দেখা যাবে ব্রাইট এনবাখারেকে? তেমন সম্ভাবনা প্রবল হয়ে দেখা দিয়েছে। তবে পুরনো ক্লাব এসসি ইস্টবেঙ্গলে নয়, লালহলুদের চিরশত্রু এটিকে মোহনবাগানের জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যেতে পারে ব্রাইট এনবাখারেকে। একই সঙ্গে সন্দেশ ঝিংঘানেরও এটিকে মোহনবাগানে ফেরার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়েছে।অনেক প্রত্যাশা নিয়ে ফিনল্যান্ডের জনি কাউকোকে দলে নিয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। কিন্তু তাঁর সম্পর্কে মোহভঙ্গ হয়েছে সবুজমেরুন কর্তাদের। দলবদলের দ্বিতীয় উইন্ডোতে তাঁকে ছেড়ে দিয়ে ব্রাইট এনবাখারেকে দলে নিতে চায় এটিকে মোহনবাগান। এই মুহূর্তে ইংল্যান্ডের ক্লাব কোভেন্ট্রি সিটিতে খেলছেন ব্রাইট। উলভারহ্যাম্পটনের প্রাক্তন ফরওয়ার্ডকে পাওয়ার জন্য ঝাঁপিয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল, চেন্নাইয়ান এফসি এবং এফসি গোয়াও। এই তিন দলকে পেছনে ফেলে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে এটিকে মোহনবাগান।ব্রাইটের প্রতি আগেও নজর ছিল এটিকে মোহনবাগানের। গত মরসুমেও পাওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে ছিল এটিকে মোহনবাগান। পরফরম্যান্স ভাল হলে চুক্তি বাড়িয়ে ২০২৪ পর্যন্ত করা হবে বলে নাইজেরীয় ফরওয়ার্ডের এজেন্টকে জানিয়েছেন সবুজমেরুন কর্তারা।এসসি ইস্টবেঙ্গলের হাত ধরে ভারতীয় ফুটবলে পা রেখেছিলেন ব্রাইট। তাঁর সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি ছিল লালহলুদের। সঙ্গে দুবছরের চুক্তি ছিল তাঁর। এই মরসুমে ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলবে কিনা, ঠিক ছিল না। তাই লালহলুদের কাছ থেকে রিলিজ নিয়ে কোভেন্ট্রি সিটিতে যোগ দেন ব্রাইট। কিন্তু সেখানে খেলার সুযোগ না পেয়ে রিলিজ নিয়ে নেন।এদিকে চলতি বছরের আগস্টে এটিকে মোহনবাগান ছেড়ে ক্রোয়েশিয়ার এইচএনকে সিবেনিকে যোগ দিয়েছিলেন সন্দেশ ঝিঙ্গান। চোটের জন্য মাঠে নামার সুযোগ পাননি। চোট সারাতে তিনি দেশে ফিরে এসেছেন। তাঁকে ফেরানোর জন্য বাগান কর্তারা প্রস্তাব দিয়েছেন। সবুজমেরুন কর্তাদের প্রস্তাব ভাবাচ্ছে সন্দেশকে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
কলকাতা

Omicron: ৩ জানুয়ারি থেকে ব্রিটেন ফেরত বিমান নামবে না শহরে, কেন্দ্রকে চিঠি নবান্নর

ওমিক্রন পরিস্থিতি নজরে রেখে কলকাতায় ব্রিটেন থেকে আগত বিমান নামায় নিষেধাজ্ঞা জারি করল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে চলেছে নতুন নিষেধাজ্ঞা। বৃহস্পতিবার চিঠি দিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা কেন্দ্রকে জানিয়ে দিয়েছে নবান্ন।বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রীয় বিমান পরিবহণ মন্ত্রককে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা। চিঠিতে তিনি জানান, বিশ্বজুড়ে ওমিক্রনে সংক্রমণের বিষয়টি মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের আবহে কেন্দ্র যে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে, ওই তালিকায় রয়েছে ব্রিটেন।ঝুঁকিপূর্ণ নয়, এমন দেশ থেকে আসা বিমান যাত্রীদের কলকাতায় এসে নিজেদের খরচেই কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে বিমানবন্দরে। চিঠিতে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক বিমান সংস্থাকেই বিমানে ওঠা ১০ শতাংশ যাত্রীর কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে আরটিপিসিআর পদ্ধতিতে। আর বাকিদের র্যা পিড অ্যান্টিজেন পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে। এই পদ্ধতিতে রিপোর্ট পজিটিভ এলে তাঁদের আবার আরটিপিসিআর পদ্ধতিতে পরীক্ষা করাতে হবে। বিমানবন্দরে কোভিড পরীক্ষার কাজে যাতে খুব বেশি সময় নষ্ট না হল, তার জন্য যাত্রীদের আগে থেকেই পরীক্ষার বুকিং করাতে হবে বলে জানানো হয়েছে চিঠিতে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
দেশ

Omicron: বুস্টার-সহ ৩টি টিকা নিয়েও ওমিক্রন আক্রান্ত মুম্বইয়ের যুবক

বুস্টার-সহ তিনটি করোনা টিকা নেওয়ার পরেও ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন এক যুবক। বৃহন্মুম্বই পুরসভা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমেরিকা ফেরত ওই ব্যক্তির জিন বিন্যাসের পরীক্ষা করে করোনা ভাইরাসের ওমিক্রন রূপের সংক্রমণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে।ওই যুবক ফাইজারের দুটি টিকা নেওয়ার পরেও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বুস্টার নিয়েছিলেন বলে বিএমসি-র বিবৃতিতে বলা হয়েছে। আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা দুই ব্যক্তির আরটিপিসিআর পরীক্ষা করানো হলেও তাঁদের দেহে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়েনি।বিএমসি-র তরফে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২৯ বছরের ওই যুবক নভেম্বরের গোড়ায় নিউ ইয়র্ক থেকে মুম্বই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন। তাঁর শরীরে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কোনও উপসর্গ ছিল না। বিমানবন্দরে নিয়ম মাফিক পরীক্ষায় জানা যায় তিনি কোভিড-১৯ আক্রান্ত। ফলে তাঁকে হাসাপাতালে ভর্তি করানো হয়। এর পরে তাঁর জিন বিন্যাস পরীক্ষা হয়েছিল।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর যে দুজনের সংস্পর্শে সবথেকে বেশি এসেছিলেন ওই যুবক, তাদের পরীক্ষা করানো হয়েছে এবং রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। আপাতত ওই রোগী হাসপাতালেই ভর্তি রয়েছে।এই নিয়ে বাণিজ্যনগরীতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫-এ। এদের মধ্যে ৫ জন মুম্বইয়ের বাসিন্দা নন বলেই জানা গিয়েছে। তবে সুখবর হল, আক্রান্ত ১৫ জন রোগীর মধ্যে ১৩ জনই ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং বাড়ি চলে গিয়েছেন। বাকি দুইজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দেশের পরিসংখ্যানের নিরিখে সর্বাধিক আক্রান্তের খোঁজ মহারাষ্ট্রেই পাওয়া গিয়েছে, এখনও অবধি রাজ্যের মোট ৪০ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

Trekkers: ফিরল ৫ বাঙালি পর্বতারোহীর দেহ

আজ বাড়ি ফিরল উত্তরাখণ্ডের বিপর্যয়ে মৃত ৫ পর্বতারোহীর কফিনবন্দি নিথর দেহ। শোকে স্তব্ধ পাঁচ পাহাড়িয়ার পরিবার। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ২০ এবং ৭টা ২০ নাগাদ দিল্লি থেকে দেহ নিয়ে রওনা দেয় বিমানে। এদিকে, কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস। সুজিত বসু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এসেছি। আজ ৫ জনের মৃতদেহ এখান থেকে পৌঁছে দেওয়া হবে তাঁদের পরিবারের কাছে। খুবই দুঃখজনক ঘটনা।গত ১০ অক্টোবর উত্তরাখণ্ডের খারকিয়া থেকে বাগেশ্বর ,জাটুলি, দেবীকুণ্ড, নাগকুণ্ড হয়েকানাকাটা পাসে ট্রেকিংয়ে গিয়েছিলেন সাগর দাসেরা। কিন্তু প্রবল বৃষ্টি ও তুষার ঝড়ের কবলে পড়ে আটকে যান সুন্দরডুঙ্গা হিমবাহের কাছে। এতদিন আবহাওয়া খারাপ থাকার বারবার ব্যাহত হচ্ছিল তাদের উদ্ধারকাজ। পরে সেই সুন্দরডুঙ্গা হিমবাহের কাছেই পাওয়া যায় পাঁচ ট্রেকার নিথর দেহ। মৃত ট্রেকারদের তালিকায় রয়েছেন,সাধন বসাক, তিনি ঠাকুরপুকুর জায়গীর রোডের বাসিন্দা। এছাড়াও বিকাশ মাকাল, সৌরভ দাস, সাবিয়ান দাসের দেহ উদ্ধার হয়েছে।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
কলকাতা

Uttrakhand: ৬ বন্ধুকে আজীবনের মত বিদায় দিয়ে বাড়ি ফিরলেন মিঠুন

ফেরা হল না বাকি বন্ধুদের। দুঃস্বপ্ন কাটিয়ে অবশেষে বাড়ি ফিরলেন বিষ্ণুপুরের মিঠুন দারি । গতকাল উত্তরাখণ্ড থেকে দিল্লি হয়ে কলকাতায় ফেরেন তিনি। উত্তরকাশিতে যাওয়া সাত বাঙালির মধ্যে একমাত্র জীবিত তিনি। আহত অবস্থায় উত্তরাখণ্ডের জেলা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন মিঠুন। গত ১১ই অক্টোবর কলকাতা থেকে উত্তর কাশিতে ট্রেকিং করতে যান সাতজন বাঙালি। এরপর সোমবার সকালে চার অভিযাত্রীর দেহ ফেরে কলকাতায়। ঘটনার বিষয়ে যদিও মিঠুন বেশি কিছু সংবাদমাধ্যমকে জানাতে পারেননি। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, এখন অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন। তবে ভুলতে পারছেন না সেখানকার ভয়াবহ স্মৃতি।গত ২২ অক্টোবর প্রথম পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বর কন্ট্রোল রুম থেকে বাংলার পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন,সাধন বসাক, তিনি ঠাকুরপুকুর জায়গীর রোডের বাসিন্দা। এছাড়াও বিকাশ মাকাল, সৌরভ দাস, সাবিয়ান দাসের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁদের পরিচয় জানা গিয়েছে।১১ জন পর্বতারোহীর মধ্যে দুজনকে জীবিত অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছিল আগেই। অর্থাৎ বাকি ৯ জনের মধ্যে ৫ জনের দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, এই দলটি ট্রেকিং-এ গিয়েছিল। সেখানে গিয়েই বিপত্তি ঘটে। ওই দলের মধ্যে ছিলেন ৭ জন বাঙালি। সেই ৭ জনের মধ্যে স্বশরীরে বাড়ি ফিরলেন মিঠুন।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
কলকাতা

TMC Joining: ৬ মাসের জল্পনা মিটিয়ে তৃণমূলে ফিরলেন বিশ্বজিৎ দাস

সোমবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। মঙ্গলবার তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস। দুজনেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে গিয়েছিলেন। গেরুয়া শিবির তাঁদের টিকিটও দেয়। এবং দুজনেই ভোটে জেতেন। তার পর ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন।আরও পড়ুনঃ টিকার লাইনে ধুন্ধুমার-রক্তারক্তি, পদপিষ্ট ২৫মঙ্গলবার তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী কাকলি ঘোষদস্তিদারের হাত থেকে ঘাসফুল পতাকা তুলে নেন বিশ্বজিৎ। দলে ফিরে বাগদার বিধায়ক জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়নের যজ্ঞে শামিল হতেই বিজেপি ছেড়েছেন। বিজেপিত্যাগী বিধায়কের মন্তব্য, ভুল বোঝাবুঝির কারণেই তৃণমূল ছেড়েছিলাম। ঠিক হয়নি। কিন্তু বিজেপিতে কাজের পরিবেশ নেই, দমবন্ধ হয়ে আসছিল। তাই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরলাম। তাঁর মতে, বিজেপি নেতৃত্ব বাংলা বোঝেন না। বাংলার আবেগ ধরতে পারেনি বিজেপি। বিশ্বজিতের হাতে দলের পতাকা ধরিয়ে পার্থ বলেন, বিজেপি-র ধ্বংসাত্মক রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে মেলাতে পারছিলেন না বিশ্বজিৎ। দলের কাছে আবেদন করেন। দল তাঁর আবেদন মঞ্জুর করেছে।২৪ ঘণ্টা আগে একইভাবে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরেছেন বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলে তন্ময়ের ফেরা নিয়ে বলেছিলেন, তৃণমূল পুলিশের ভয় দেখিয়ে দলে টেনেছে।

আগস্ট ৩১, ২০২১
দেশ

Afghan-Corona: তালিবানের থেকে বাঁচলেও করোনা থেকে শেষরক্ষা হল না

তালিবানের হাত থেকে রক্ষা পেলেও করোনার থাবা থেকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। নানা সতর্কতা সত্ত্বেও রক্ষা মিলল না করোনা-র হাত থেকে। মঙ্গলবার যে ৭৮ জন যাত্রীকে আফগানিস্তান থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৬ জনের করোনা রিপোর্টই পজিটিভ এসেছে বলে জানা গিয়েছে।করোনার চোখ রাঙানির মাঝেই উদ্ধারকার্য চালানো হচ্ছে আফগানিস্তানে। সেখানে আটকে থাকা ভারতীয় ও বেশ কিছু আফগান বাসিন্দাদেরও ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। যাত্রীরা বিমানবন্দরে পৌঁছতেই করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে, দেওয়া হয়েছে পোলিও টিকাও। মঙ্গলবারই কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, আফগানিস্তান ফেরত সকলকেই কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। সেই নির্দেশ অনুযায়ীই ৭৮ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। এদের মধ্যেই ১৬ যাত্রীর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। জানা গিয়েছে, আক্রান্তদের সকলেই উপসর্গহীন।আরও পড়ুনঃ বুমরার বাউন্সারে কেমন অসহায় বোধ করেছিলেন অ্যান্ডারসন?সূত্রের খবর, করোনা আক্রান্তদের মধ্যে তিনজন গ্রন্থিও রয়েছেন, যারা শিখ ধর্মগ্রন্থ গুরু গ্রন্থ সাহিব কাবুল থেকে দিল্লিতে ফিরিয়ে এনেছিলেন। কেন্দ্রীয়মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী নিজে সেই ধর্মগ্রন্থগুলি সংগ্রহ করতে যান। তাঁর টুইট করা ছবিতে হাতে ধর্মগ্রন্থটিও দেখা যায়। যারা এই বইটি এনেছেন, তারাই করোনা আক্রান্ত হওয়ায় আইসোলেশনে যেতে হতে পারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকেও। গত সপ্তাহে তালিবানরা কাবুল দখল করে নেওয়ার পর থেকেই আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে তৎপর হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই ৬২৬ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এদের মধ্যে ২২৮ জনই ভারতীয়। রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ আফগান নাগরিকদেরও ঠাঁই দেওয়া হয়েছে। মোট ৭৭ জন আফগান শিখকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। হিন্দু ও শিখ ছাড়াও যারা আফগানিস্তান ছেড়ে চলে আসতে চান, তাদের আশ্রয় দেওয়া হবে বলে আগেই জানানো হয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে।

আগস্ট ২৫, ২০২১
রাজ্য

GTA-Dhankhar: জিটিএ-র দুর্নীতি বিচারে অডিট করাবেন রাজ্যপাল

সাতদিনের উত্তরবঙ্গ সফর শেষে জিটিএ-তে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। সোমবার বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে (GTA) অডিট হয়নি। তিনি ক্যাগ (CAG)-কে দিয়ে অডিট করাতে চান। তাহলেই স্বচ্ছতা বজায় থাকবে। পাশাপাশি তাঁর আরও অভিযোগ, জিটিএ যে উদ্দেশে তৈরি হয়েছিল, তা পূরণ হয়নি। বছরের পর বছর ধরে পাহাড়বাসীর কোনও উন্নয়ন করে জিটিএ।২০১৭ সালে পাহাড়ের তৎকালীন প্রতাপশালী নেতা মোর্চার বিমল গুরুংয়ের আবেদন মেনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিটিএ তৈরির অনুমোদন করেন। মূলত পাহাড়বাসীর উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত। জিটিএ-তে কে কোন দায়িত্ব পালন করবেন, তাও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শক্রমেই ঠিক হয়। এটি একটি স্বশাসিত সংস্থা। অন্যান্য প্রশাসনিক সংগঠনের মতো নির্বাচনের মাধ্যমে জিটিএ-তেও দায়িত্বপ্রাপ্তদের নির্বাচিত করার কথা। কিন্তু ২০১৭ সালের পর থেকে নানা জটিলতার কারণে সেখানে নির্বাচন হয়নি। বিমল গুরুং, বিনয় তামাং হয়ে মোর্চা নেতা অনীত থাপা নানা সময়ে সামলেছেন জিটিএ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব। তবে এই মুহূর্তে সেখানে কাজ করছে প্রশাসক বোর্ড।আরও পড়ুনঃ করোনা ফাঁড়া কাটিয়ে ডব্লুউবিসিএস-সহ তিনটি পরীক্ষার নির্ঘণ্ট ঘোষণাতারই মধ্যে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ৭ দিনের জন্য উত্তরবঙ্গ (North Bengal) সফরে গিয়েছিলেন। দার্জিলিংয়ের রাজভবনে থাকাকালীন তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন সেখানকার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা। রাজ্যপালের দাবি, তাঁদের সকলের সঙ্গে কথা বলে তিনি একটা বিষয় সম্পর্কে নিশ্চিত যে পাহাড়ে এই কবছরে কোনও উন্নয়ন হয়নি। জিটিএ তৈরি হয়েছিল যে উদ্দেশে অর্থাৎ পাহাড়বাসীর উন্নয়নের জন্য, তা সফল হয়নি। না নির্বাচন, না অডিট কিছুই হয়নি জিটিএতে। তাই তিনি নিজে CAG-কে দিয়ে অডিট করাতে চান। তাঁর এই বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন শিলিগুড়ির কার্যালয় বৈঠকের পর তিনি বলেন, এই দাবি যুক্তিপূর্ণ। অবশ্যই জিটিএ-র অডিট হওয়া উচিত। কেন্দ্রীয় সরকার প্রতি বছর উন্নয়নের জন্য টাকা পাঠায়। কিন্তু রাজ্য সরকারের কর্মী, আধিকারিকরা তা নয়ছয় করেন আর উন্নয়নের কাজ হয় না কিছুই।এদিকে, জিটিএ-র কোষাগার নিয়ে রাজ্যপালের এই দুর্নীতির অভিযোগ মানতে নারাজ প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা মোর্চা নেতা অনীত থাপা। তাঁর দাবি, প্রতি বছর অডিট হয়েছে। পাহাড়ে অনেক উন্নয়নের কাজ করেছি আমরা। উনি অডিট করাতে চাইলে করান, আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। সব হিসেব পেয়ে যাবেন।

জুন ২৮, ২০২১
দেশ

PNB Scam: মালিয়া-চোকসি-মোদির শেয়ারের ৯ হাজার কোটি টাকা ফেরানো হল ব্যাংকে

আজও দেশে ফেরানো যায়নি তিন পলাতক শিল্পপতি বিজয় মালিয়া (Vijay Mallya) , মেহুল চোকসি (Mehul Choksi) ও নীরব মোদিকে (Nirav Modi)। তিনজনের কারণে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলির ক্ষতির পরিমাণ ২২ হাজার ৫০০ কোটি টাকারও বেশি। বুধবার তিনজনের মোট ৯ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা জমা পড়ল ব্যাংকে। এর মাধ্যমে আংশিক ক্ষতিপূরণ হবে ব্যাংকগুলির।ইতিমধ্যেই ওই তিন শিল্পপতির মোট ১৮ হাজার ১৭০ কোটি টাকার সম্পতি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি (ED)। যা ব্যাংকগুলির মোট ক্ষতির প্রায় ৮০ শতাংশ। বুধবার ইডির তরফে জানানো হয়েছে কেবল সম্পত্তি বাজেয়াপ্তই নয়, সেই সঙ্গে শেয়ারের গুরুত্বপূর্ণ ৯ হাজার ৩৭১ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা এবার ফিরিয়ে দেওয়া হল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও কেন্দ্রীয় সরকারকে।তিন পলাতক শিল্পপতির কারণে ব্যাংকগুলিকে মোট ২২ হাজার ৫৮৫ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকার ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছিল। তিনজনকেই দেশে ফেরানোর সব রকম চেষ্টা হলেও এখনও সাফল্য আসেনি। তবে এরই মধ্যে ৯ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা ফেরত পাওয়ার ফলে ব্যাংকগুলি কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে।বিজয় মালিয়া রয়েছেন ব্রিটেনে। তাঁকে ভারতের হাতে প্রত্যর্পণ করার দাবি জানিয়েছে সরকার। তবে এখনও সেই আরজিতে সবুজ সংকেত না মেলায় ফেরানো যায়নি একদা কিংফিশারের কর্ণধারকে। তবে সম্প্রতি যে পলাতক শিল্পপতিকে নিয়ে তুমুল শোরগোল পড়েছিল তিনি মেহুল চোকসি।অ্যান্টিগুয়া থেকে কিউবায় পালানোর পথে ডোমিনিকায় ধরা পড়েছেন চোকসি। তারপর থেকে সেখানেই বন্দি রয়েছেন তিনি। তাঁকে দেশে ফেরানোর প্রাথমিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেও আশা ছাড়েননি ভারতীয় গোয়েন্দারা। শীঘ্রই তাঁকে দেশে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জুন ২৩, ২০২১
কলকাতা

ন্যাঁড়া হয়ে তৃণমূলে ফিরলেন ৫০০ কর্মী

এবার আরামবাগের বিজেপি শিবিরে ভাঙন। পদ্মশিবিরে যোগের প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে ন্যাঁড়া হয়ে সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের হাত ধরে তৃণমূলে (TMC) ফিরলেন প্রায় ৫০০ কর্মী। এবিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। একুশের নির্বাচনের (West Bengal Assembly Elections) আগে তৃণমূল ত্যাগের হিড়িক পড়ে গিয়েছিল নেতা-কর্মীদের মধ্যে। বিভিন্ন এলাকা থেকে বহু কর্মী শিবির বদলে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। কিন্তু কয়েকমাসের মধ্যেই তাঁদের মোহভঙ্গ হয়েছে। দলবদলু বহু নেতা-কর্মীই ধীরে ধীরে ফিরছেন ঘরে। মঙ্গলবার তৃণমূলে ফিরলেন আরামবাগের ৫০০ বিজেপি কর্মী। এদিন তাঁরা প্রত্যেকে ন্যাঁড়া হন। জানা গিয়েছে, বিজেপিতে গিয়ে ভুল করেছিলেন, তার প্রায়শ্চিত্ত স্বরূপ ন্যাঁড়া হয়েছেন ওই কর্মীরা। ফিরে এসেছেন তৃণমূলে। এ বিষয়ে সাংসদ অপরূপা পোদ্দার বলেন, ভোটের আগে কর্মীদের ভুল বুঝিয়ে বিজেপিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এখন প্রত্যেকে ভুল বুঝতে পারছেন তাই ফিরে আসছেন। আর প্রত্যেকে স্বেচ্ছায় প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য ন্যাঁড়া হয়েছেন।

জুন ২২, ২০২১
রাজনীতি

দলত্যাগী পুরনো সৈনিকরা ফিরতে চাইলে স্বাগত, জানালেন মমতা

ভোটের মুখে অনেকেই মুখ ফিরিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে। দল থেকে বেরিয়েই প্রাক্তন নেত্রীকে অভিযোগে বিদ্ধ করতে ছাড়েননি কেউই। ব্যাপক সাফল্য পাওয়ার পরও দলত্যাগীদের প্রতি এতটুকুও ক্ষোভ দেখা গেল না তৃণমূল সুপ্রিমোর চোখে-মুখে। উলটে কেউ ফিরতে চাইলে স্বাগত, এমনটাই বললেন তিনি।তৃণমূল ত্যাগীদের তালিকায় প্রথম নাম ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। বিজেপিতে গিয়ে তিনি সাফল্য পেলেও, বাকি দলত্যগীদের অধিকাংশই ফিরেছেন শূন্যহাতে। যেমন নিজের কেন্দ্র ডোমজুর থেকে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও সফল হননি প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ওয়াকিবহল মহলের মতে, তাঁর দলত্যাগকে ভালভাবে নেয়নি আমজনতা। একইভাবে জয়ের মুকুট পাওয়া তো দূর-অস্ত দ্বিতীয় স্থানও পাননি বৈশালী ডালমিয়া। একইভাবে পরাজিত হয়েছেন প্রবীর ঘোষাল, জিতেন্দ্র তিওয়ারি, শীলভদ্র দত্ত, মিহির গোস্বামী, বিশ্বজিৎ কুণ্ডু, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, সব্যসাচী দত্ত-সহ একাধিক দলবদলু নেতা। স্বাভাবিকভাবেই দল বদলেও দাঁত ফোটাতে পারেননি যাঁরা তাঁদের রাজনৈতিক কেরিয়ার নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করছে। তবে কি ফের দল পালটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছত্রছায়ায় ফিরবেন তাঁরা? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সকলের মনে। সেই সঙ্গে আরও একটি প্রশ্ন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, বিপদ আশঙ্কা করে যে নেতারা দল ছেড়েছিলেন আর তাঁদের ফিরিয়ে নেবেন মমতা? সোমবার কালীঘাট থেকেই সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাফ বললেন, যাঁরা ফিরতে চান, ফিরুন না, কে বারণ করেছে, ওয়েলকাম। অর্থাৎ মান-অভিমান ভুলে পুরনো সৈনিকদের কাছে টেনে নিতে যে কোনও সমস্যা নেই, তা জানিয়ে দিলেন মমতা। উল্লেখ্য, রাজ্যে পরিবর্তন হতে চলেছে, এই আশঙ্কা করে গত কয়েকমাসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনেক বিশ্বস্ত সৈনিক দল ছেড়েছিলেন। তবে লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন নেত্রী। বিপুল আসন নিয়ে ফের বাংলা জয় করেছেন তিনি।

মে ০৩, ২০২১
রাজ্য

দেশে ফিরতে না পেরে পেট্রাপোলে বিক্ষোভ বাংলাদেশি নাগরিকদের

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আচমকা বন্ধ ভারত-বাংলাদেশ পেট্রাপোল সীমান্ত। বন্ধ যাত্রী পারাপার। আর এর ফলে দিনভর পেট্রাপোল সীমান্তে আটকে পড়লেন কয়েকশো বাংলাদেশি নাগরিক। শেষপর্যন্ত দেশে ফিরতে না পেরে অবশেষে বিক্ষোভের পথ বেছে নিলেন মেডিক্যাল ভিসায় বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা ওই যাত্রীরা৷ সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে পেট্রাপোল সীমান্ত চলছে বাংলাদেশি নাগরিকদের এই বিক্ষোভ।করোনার সংক্রমণ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় সোমবার থেকে ভারত-বাংলাদেশ যাত্রী পারাপার বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। ২৬ এপ্রিল থেকে ৯ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে যাত্রী পারাপার। সোমবার থেকে সেই নির্দেশ লাগু হয়েছে। পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন দুপারের যাত্রীরাই। ভারতে চিকিৎসা করতে এসে আটকে পড়েছেন কয়েকশো রোগী ও তাঁদের আত্মীয়রা৷ দেশে ফেরার জন্য সোমবার সকাল থেকে পেট্রাপোল বন্দরে এসেছিলেন কয়েকশো বাংলাদেশি নাগরিক। কিন্তু বর্ডার বন্ধ। তাঁরা দেশে ফিরতে পারলেন না। দিনভর অনেক অনুনয় বিনয় করেও কোনও ফল হয়নি। অবশেষে সন্ধের পর থেকে বাংলাদেশি যাত্রীরা পেট্রাপোল সীমান্তে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন। বিক্ষোভকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের অনেকেরই সোমবার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে। খরচ চালানোর মতো টাকাও তাঁদের হাতে নেই। তাই তাঁরা দেশে ফেরার জন্য বিক্ষোভ শুরু করেছেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কয়েকজন রোগী ও স্কুলপড়ুয়া রয়েছেন বলে খবর।বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, ভিসার মেয়াদ শেষ। হাতে প্রয়োজনীয় টাকাও নেই। দেশে ফিরতে না পারলে এপারে না খেয়ে মরতে হবে। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া থেকে চিকিৎসা করাতে ভারতে এসেছিলেন স্বপন কুমার বিশ্বাস। তিনি বলেন পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আচমকা বাংলাদেশ সরকার যাত্রী পারাপারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায় বিপাকে পড়েছি আমরা। এভাবে না খেয়ে মৃত্যুর থেকে জোর করে বাংলাদেশে ঢুকতে গিয়ে গুলি খেয়ে মরব। সংবাদমাধ্যমকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন ক্যান্সার আক্রান্ত মহিলার করিমুন্নেসাI তিনি বলেন, টাকাও শেষ হয়েছে। দেশে ফিরতে পারছি না। এখন কি করব। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাঁদের দেশে ফেরানোর আবেদন জানালেন নড়াইলের স্কুলছাত্রী রিয়া মণ্ডল। তিনি ভারতে অপারেশন করতে এসেছিলেন। পেট্রাপোল সীমান্তে অভিবাসন দপ্তরের আধিকারিক তরুণ বিশ্বাস জানান, বাংলাদেশ সরকার যাত্রী পারাপারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তাই বর্ডারের গেট বন্ধ আছে। যাঁরা বাংলাদেশ হাইকমিশনার থেকে এনওসি আনছেন। কেবল তাঁরাই বাংলাদেশের ফিরতে পারবেন।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
দেশ

'সরি, জানতাম না ওটা করোনার ওষুধ’

আলমারিতে টাকা থাকলেও চোর ব্যাগ বোঝাই করে নিয়ে গিয়েছিল করোনা টিকা। বিষয়টি জানাজানি হতেই দেশজুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। এদিকে, রাতারাতি মন বদলে যায় চোরবাবাজিরও। তাই পরেরদিনই ব্যাগ সমেত ভ্যাকসিন ফেরত দিয়ে যান। সঙ্গে পাঠান একটি চিঠিও, যাতে লেখা রয়েছে, সরি, জানতাম না এটা করোনার ওষুধ। গোটা দেশজুড়ে ভ্যাকসিন চুরি নিয়ে হুলুস্থুল পড়তেই চুরির দ্রব্য ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় চোর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল দুপুর নাগাদ এক ব্যক্তি ব্যাগ নিয়ে সিভিল লাইন পুলিশ স্টেশনের বাইরে অবস্থিত চায়ের দোকানে আসেন। দোকানের মালিককে তিনি জানান, পুলিশকর্মীদের জন্য খাবারের ডেলিভারি রয়েছে। তাঁকে অন্য একটি জায়গায় ডেলিভারিতে যেতে হবে, তাই এই ব্যাগটি যেন ভিতরে পৌঁছে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকালেই জানা যায়, হরিয়ানার জিন্দ জেলার একটি হাসপাতাল থেকে চুরি করেছে করোনা ভ্যাকসিনের ১৭১০টি ডোজ়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা যায়, বুধবার মধ্যরাতে দুই ব্যক্তি পাঁচিল টপকে হাসপাতালে ঢুকেছিল। তাঁরাই আলমারি থেকে ভ্যাকসিন চুরি করে বলে সন্দেহ পুলিশের। ঘটনার পরই অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। অজ্ঞাতপরিচয় ওই দুই ব্যক্তির নামে অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালেই হাসপাতালের কর্মীরা এসে দেখেছিলেন, সেন্টারের দরজার তালা ভাঙা। উধাও হয়ে গিয়েছে ১,৭১০ ডোজ় করোনা ভ্যাকসিন। এর মধ্যে কোভিশিল্ডের ১,২৭০ টি ডোজ় ও ৪৪০টি কোভ্যাক্সিনের ডোজ ছিল। তবে অক্ষত ছিল পাশেই রাখা পোলিও ও অন্যান্য ভ্যাকসিন। এমনকী, ৫০ হাজার টাকাও নেয়নি চোরেরা।

এপ্রিল ২৩, ২০২১
রাজ্য

ভোটের মাঝে ফের অপসারিত কলকাতার ৮ রিটার্নিং অফিসার

বঙ্গে চলছে বিধানসভা নির্বাচন। মঙ্গলবারই ছিল তৃতীয় দফার নির্বাচন। আর সেদিনই ভোট সংক্রান্ত বিষয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। একসঙ্গে সরিয়ে দেওয়া হল কলকাতার আটজন রিটার্নিং অফিসারকে। বিবৃতি দিয়ে এই খবর জানাল নির্বাচন কমিশন।কমিশনের মতে, পরপর তিন বছর কেউ এক পদে থাকতে পারেন না। সেক্ষেত্রে সেই আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়াই নিয়ম। কিন্তু এতদিন কলকাতার ক্ষেত্রে সেই নিয়ম কার্যকর করা হয়নি। এবার সেই বিধিই কার্যকর করা হল। আর তাই সরানো হয়েছে ওই আট রিটার্নিং অফিসারকে। যদিও সূত্রের খবর, বিভিন্ন সময়ে ওই আট আধিকারিকের উপর পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছিল। তাঁদের কাছে বিভিন্ন সময়ে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছিল। কিন্তু কোনও সময়ই তাঁরা সেই অভিযোগগুলির প্রতি গুরুত্ব দেননি। এরপরই সেই খবর পৌঁছায় নির্বাচন কমিশনের কাছে। খবর পেয়েই নড়েচড়ে বসেন কমিশনের আধিকারিকরা। ওই আটজন অফিসারকে শো-কজ করা হয়। তারপরই মূলত তাঁদের অপসারণের সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। ওই আটজনের পরিবর্ত হিসেবে নতুন রিটার্নিং অফিসারও নাকি ঠিক করে ফেলা হয়েছে।কমিশনের তরফে খবর, কলকাতার মোট আটটি বিধানসভা এলাকার রিটার্নিং অফিসারকে অপসারিত করা হয়েছে। এগুলি হল- কলকাতা বন্দর , জোড়াসাঁকো, ভবানীপুর, এন্টালি, চৌরঙ্গী, বেলেঘাটা, শ্যামপুকুর, কাশীপুর-বেলগাছিয়া। অর্থাৎ কলকাতার ১১টি আসনের মধ্যে আটটিরই রিটার্নিং অফিসারকে সরিয়ে দিল কমিশন। এই কেন্দ্রগুলিতে এবার একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী ভোটে দাঁড়িয়েছেন। এর মধ্যে কলকাতা পোর্ট বা বন্দর আসন থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী আবার ফিরহাদ হাকিম। তবে তাঁর এলাকার রিটানিং অফিসারকেও অপসারিত করা হয়েছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
কলকাতা

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে রাজ্য পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বুধবার পাহাড় থেকে শহরে ফিরেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। স্টেশনে তাঁকে স্বাগত জানায় পুলিশ। টুইটে সেই ছবি শেয়ার করেন রাজ্যপাল। উল্লেখযোগ্যভাবে এদিনের টুইটে পুলিশের প্রশংসা করেন তিনি। টুইটে সেই ছবি শেয়ার করেন রাজ্যপাল। রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্টতার তকমা এবার পুলিশের গা থেকে ঘুচতে দেখবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর উল্লেখ্য, নভেম্বর মাসটা দার্জিলিংয়ের রাজভবনে ছিলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল। সেখান থেকেই যাবতীয় দায়দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সেখানেও একাধিকবার রাজ্য ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন পুলিশ। কিন্তু এদিন তিনি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করায় স্বাভাবিকভাবে অবাক প্রত্যেকে।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে অরূপের রক্ষাকবচ বাড়ল, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বড় পদক্ষেপে নিষেধ! আদালতে কী হল?

মেসি-কাণ্ডে আপাতত স্বস্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ আরও বাড়িয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ নভেম্বর।অরূপ বিশ্বাসকে আগেই রক্ষাকবচ দিয়েছিল হাই কোর্টের একক বেঞ্চ। সেই নির্দেশই আপাতত বহাল রাখল বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ। অরূপের রক্ষাকবচ বাতিলের দাবিতে শতদ্রু দত্ত যে মামলা করেছিলেন, তাতেও এখনই কোনও হস্তক্ষেপ করেনি আদালত।মঙ্গলবার শুনানিতে মেসি-কাণ্ডের তদন্ত সংক্রান্ত দুটি রিপোর্ট আদালতে জমা দেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র। তিনি জানান, তদন্তে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী সবরকম সহযোগিতা করছেন। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, পুলিশ অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে। তদন্ত শেষ হলে চার্জশিটও জমা দেওয়া যাবে। তবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ করা যাবে না।গত ডিসেম্বর মাসে ভারতে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। তাঁকে সামনে থেকে দেখার জন্য বিপুল সংখ্যক ফুটবলপ্রেমী যুবভারতীতে জড়ো হয়েছিলেন। অনেকেই মোটা টাকা খরচ করে টিকিট কিনেছিলেন। কিন্তু অনুষ্ঠান ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। নির্ধারিত সময়ের আগেই যুবভারতী ছেড়ে বেরিয়ে যান মেসি। এরপর ক্ষুব্ধ দর্শকদের একাংশ ব্যাপক ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ।সেই ঘটনার পরই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে প্রশ্ন ওঠে। ঘটনার দিন মেসির সঙ্গে একাধিক বার তাঁকে দেখা গিয়েছিল। সমাজমাধ্যমে মেসির সঙ্গে অরূপের ছবি ও ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠদের সঙ্গেও মেসির ছবি প্রকাশ্যে আসে।অব্যবস্থার অভিযোগে ঘটনার দিনই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল মেসির ভারত সফরের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে। পরে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি ছিল, প্রভাব খাটিয়ে অরূপ মেসির কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।এই মামলায় অরূপ বিশ্বাস ইতিমধ্যেই একাধিক বার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দিয়েছেন। পুলিশের তলবে সাড়া দিয়ে তদন্তে সহযোগিতা করার বিষয়টিও আদালতে উল্লেখ করা হয়েছে। আপাতত সেই কারণেই তাঁর রক্ষাকবচ বহাল থাকল বলে মনে করা হচ্ছে।এখন প্রশ্ন, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত অরূপের বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ না করার নির্দেশের পর মেসি-কাণ্ডের তদন্ত কোন দিকে এগোয়। আগামী ১৭ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর কাণ্ডে ফের তৎপরতা, অভয়ার সঙ্গে ডিনার করা বন্ধুদের তলব! জেরার তালিকায় আর কারা?

খুলল কি ফের অভয়া ফাইলস? আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে। নতুন করে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল এবং তার আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেছে। এবার ঘটনার রাতের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেই তালিকায় রয়েছেন অভয়ার সঙ্গে রাতে ডিনার করা বন্ধুরাও।শুধু অভয়ার বন্ধুদেরই নয়, ঘটনার সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা নার্স, চিকিৎসক, নিরাপত্তারক্ষী এবং আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া হাসপাতালের কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তদন্তের প্রয়োজনে জেলবন্দি আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও ফের জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।আর জি কর-কাণ্ডে অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়, প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট সাতজন এবং কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষীর পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা হয়েছিল। তবে সেই পরীক্ষা এবং তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে নতুন তদন্তকারীরা সন্তুষ্ট নন বলে সূত্রের দাবি। সেই কারণেই মামলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ফের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে কারা ডিনারে ছিলেন, সেই বিষয়টিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা চিকিৎসক, নার্স এবং নিরাপত্তারক্ষীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হতে পারে। একই সঙ্গে ফের পরীক্ষা করা হবে সিসিটিভি ফুটেজও। প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে জেলবন্দি সন্দীপ ঘোষকে জেরা করতে পারেন তদন্তকারীরা।অভয়ার মা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছেন, ঘটনার রাতে তাঁর মেয়ের সঙ্গে যাঁরা ডিনার করেছিলেন, তাঁদের ভূমিকা যথাযথ ভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের আওতায় আনার দাবিও তিনি একাধিক বার জানিয়েছেন। আদালতের তরফেও ঘটনার রাতে ডিনারে কারা উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁদের ভূমিকা কী ছিল, তা নিয়ে তদন্তের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছিল বলে জানা যায়।এর মধ্যেই তদন্তকারী আধিকারিক বদল করা হয়েছে। তদন্তের দায়িত্ব থেকে সীমা পাহুজাকে সরিয়ে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সন্দীপনী গর্গকে। কয়েক দিন আগে দিল্লি থেকে চার সদস্যের একটি বিশেষ দলও আর জি কর হাসপাতালে পৌঁছয়। জয়েন্ট ডিরেক্টরের নেতৃত্বে ওই দলের আধিকারিকরা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, যে জায়গায় তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উঠেছিল, সেই জায়গা ফের খুঁটিয়ে দেখা হয়েছে। নির্যাতিতার মায়ের আবেদনের ভিত্তিতেই আদালতের নির্দেশে তদন্তকারীদের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।এবার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের তলব করার খবর সামনে আসায় আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে থাকা বন্ধু, হাসপাতালে উপস্থিত চিকিৎসক ও নার্স এবং প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ঘিরে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, তা নিয়ে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ, কর্মীদের বেতনও আটকে! সুপ্রিম কোর্টে কপিল সিব্বলের বিস্ফোরক সওয়াল

তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত মামলায় মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সব তথ্য আদালতের সামনে তুলে ধরছে না বলে অভিযোগ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কপিল সিব্বল। বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়।শুনানিতে তৃণমূলের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে দলের নিয়মিত খরচের হিসাব আদালতের সামনে তুলে ধরেন কপিল সিব্বল। তিনি জানান, তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে। এর ফলে দলের দৈনন্দিন কাজ চালানো এবং কর্মীদের বেতন দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেন তিনি।ইডির তরফে আদালতে বলা হয়, যে অ্যাকাউন্টগুলি ফ্রিজ করা হয়নি, সেগুলি থেকে টাকা নিয়ে দল কাজ চালাতে পারে। তার জবাবে কপিল সিব্বল জানান, ওই অ্যাকাউন্টগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি স্থায়ী আমানত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মোট ৩৬টি অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৩১টি স্থায়ী আমানত এবং বাকি পাঁচটি সাধারণ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট।সিব্বলের দাবি, স্থায়ী আমানত ভাঙলে সেই টাকা ফের ফ্রিজ করে রাখা অ্যাকাউন্টে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও জানান, পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে চারটি বন্ধ করে রাখা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থা আদালতকে সম্পূর্ণ তথ্য দিচ্ছে না।তৃণমূলের আইনজীবী আরও দাবি করেন, তদন্তকারী সংস্থার মামলায় অপরাধলব্ধ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৬০ কোটি টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। কেন এত বেশি অর্থ আটকে রাখা হয়েছে, সেই প্রশ্নও আদালতে তোলেন তিনি।দলের কর্মীদের বেতন নিয়েও আদালতে বিস্তারিত তথ্য দেন সিব্বল। তাঁর দাবি, তৃণমূলের প্রায় ২৫০ জন কর্মী রয়েছেন। চলতি মাসে তাঁদের বেতন দেওয়া সম্ভব হয়নি। বেতন-সহ অন্যান্য খরচ মেটাতে প্রায় ৫৩ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা প্রয়োজন বলে আদালতে জানান তিনি।এর পাশাপাশি দলের বিভিন্ন অফিসের খরচের কথাও আদালতে তুলে ধরেন সিব্বল। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলের ১৭টি অফিস চালাতে প্রতি মাসে প্রায় এক কোটি টাকা খরচ হয়। নিরাপত্তা সংস্থা এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীদেরও টাকা দিতে হয়। নির্বাচনের সময়ে যাঁরা কাজ করেছিলেন, তাঁদেরও কিছু টাকা এখনও বাকি রয়েছে বলে জানান তিনি।সিব্বল আরও জানান, দৈনন্দিন কাজ চালানোর জন্য কলকাতা হাই কোর্টের একক বেঞ্চের তরফে প্রাক্তন বিচারপতিকে বিশেষ আধিকারিক হিসেবে নিয়োগ করে নির্দিষ্ট অর্থ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, যখনই অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের বিষয়ে অন্তর্বর্তী নির্দেশের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তখনই আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে।তৃণমূলের হয়ে নেওয়া পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার বিষয়টিও আদালতে তোলেন সিব্বল। তাঁর দাবি, ওই সংস্থা থেকে তৃণমূল একটি বিমান নিয়েছিল। সেই সংস্থার অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করা হয়েছে বলে আদালতে জানান তিনি। তবে কী কারণে ওই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে, তা তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্ট করেনি বলে অভিযোগ করেন সিব্বল।মামলায় তদন্তকারী সংস্থা এবং তৃণমূলের আইনজীবীর বক্তব্যের মধ্যে যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে, মঙ্গলবারের শুনানিতে তা স্পষ্ট হয়েছে। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ রাখার যৌক্তিকতা, দলের দৈনন্দিন খরচ এবং কর্মীদের বেতন দেওয়ার বিষয়টি এখন আদালতের বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

২৬ হাজার চাকরির ভবিষ্যৎ কি ফের অন্ধকারে? ডেডলাইনের আগেই বড় সিদ্ধান্ত স্কুল সার্ভিস কমিশনের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের পর নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সেই প্রক্রিয়ায় ফের বড় জট তৈরি হয়েছে। স্কুল সার্ভিস কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।দুর্নীতি ও বেনিয়মের অভিযোগের জেরে আদালতের নির্দেশে ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছিল। এরপর শূন্যপদগুলিতে নতুন করে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রক্রিয়া ৩১ অগস্টের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। সেই সময় পর্যন্ত চাকরিহারাদের বেতন দেওয়ার নির্দেশও ছিল।এর মধ্যেই নিয়োগের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছে। চাকরিহারা শিক্ষক চিন্ময় মণ্ডলের দাবি, নবম-দশম শ্রেণির নিয়োগের ভেরিফিকেশন চলছিল। পাশাপাশি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগের কাউন্সেলিংও চলছিল। কিন্তু সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ওই প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।কেন ভেরিফিকেশন বন্ধ করা হল, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। জানা গিয়েছে, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির সংরক্ষণ সংক্রান্ত নতুন নিয়ম কার্যকর করার বিষয়টি নিয়েই এই মুহূর্তে জটিলতা তৈরি হয়েছে। রাজ্য সরকারের নতুন সংরক্ষণ বিধি কী ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কার্যকর করা হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছে কমিশন।মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে স্কুল সার্ভিস কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে, ৩১ অগস্টের মধ্যে ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই নিয়োগ সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না।কমিশনের চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও সময় চাওয়া হবে। কতদিন সময় চাওয়া হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সংরক্ষণ নীতি কী ভাবে কার্যকর করা হবে, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।নতুন করে নিয়োগের জন্য যাঁরা সুপারিশপত্র পেয়েছেন, তাঁদের নিয়োগ নিয়েও এখন সংশয় তৈরি হয়েছে। ভেরিফিকেশন এবং কাউন্সেলিং থেমে যাওয়ায় পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা স্পষ্ট নয়।ফলে একদিকে আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা, অন্যদিকে সংরক্ষণ নীতি নিয়ে প্রশাসনিক ও আইনি জটদুইয়ের মাঝে আটকে রয়েছে ২৬ হাজার নিয়োগের ভবিষ্যৎ। এখন সুপ্রিম কোর্ট কমিশনকে অতিরিক্ত সময় দেয় কি না, সেই সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরের পর কলকাতাতেও মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ, ভিড়ের মধ্যে থেকে উঠল সেই স্লোগান

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে ফের বিক্ষোভের অভিযোগ। হালিশহরের ঘটনার পর এবার খাস কলকাতায় একই ধরনের স্লোগান শুনতে হল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। মঙ্গলবার শ্যামবাজারে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে চোর, চোর স্লোগানের মুখে পড়েন তিনি।নেতাজির মূর্তির পাদদেশে ক্ষুদিরাম বসুর ছবি হাতে নিয়ে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষুদিরাম বসুকে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, মহাত্মা গান্ধী এবং মাতঙ্গিনী হাজরার কথাও স্মরণ করেন তিনি। মমতা বলেন, এই সংগ্রামীদের কোনও দিন ভোলা যাবে না। তাঁর দাবি, শুধু দেখানোর জন্য নয়, হৃদয় থেকেই এই সমস্ত মহান ব্যক্তিত্বকে স্মরণ করা হয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজির মূর্তিতে মালা দেওয়ার পরই পরিস্থিতি বদলে যায়। আচমকা ভিড়ের মধ্যে থেকে চোর, চোর স্লোগান উঠতে শুরু করে বলে অভিযোগ। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের দাবি, বিজেপির কর্মীরাই মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। যদিও ঘটনাস্থলে থাকা এক ব্যক্তির বক্তব্য, মমতা মালা দেওয়ার সময় তাঁরা কোনও স্লোগান দেননি। পরে তাঁরা স্লোগান দেন বলে জানান তিনি।বিক্ষোভের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গাড়িতে উঠে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান। তবে তাঁর গাড়ি চলে যাওয়ার পরেও কিছুক্ষণ স্লোগান ও বিক্ষোভ চলতে দেখা যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়।এই ঘটনার আগে রবিবার হালিশহরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভের অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। তাঁকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা করেছিল, তবে তিনি জনরোষের মুখে পড়েছিলেন।হালিশহরের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কলকাতার শ্যামবাজারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচিতে একই স্লোগান ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হল। ঘটনাটি ঘিরে তৃণমূল ও বিরোধীদের মধ্যে নতুন করে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গলমহল নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! ধর্ম পরিবর্তন ও জমি কেনাবেচায় নতুন আইন, আর কী করতে চলেছে সরকার?

বাঁকুড়ায় সাত জেলার প্রশাসনিক বৈঠকের পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জঙ্গলমহলের উন্নয়ন থেকে সীমান্তবর্তী এলাকার সমস্যা, আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন তিনি।মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় সাতটি জেলাকে নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গত তিন মাসে তাঁর সরকার কী কী কাজ করেছে এবং আগামী দিনে কোন কোন বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে, তার একটি হিসাব তুলে ধরেন তিনি।জঙ্গলমহল এবং প্রান্তিক ও সীমান্তবর্তী এলাকার উন্নয়নের উপর বিশেষ জোর দেওয়ার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে জঙ্গলমহলের আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিদেশি অর্থের সাহায্যে ধর্মান্তকরণের প্রক্রিয়া চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রশাসন বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন এবং এ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে।সাংবাদিক বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। সীমান্ত এলাকায় জমি হস্তান্তর, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির তালিকা সংশোধন, ইমাম-মোয়াজ্জেম ভাতা বাতিল এবং গো-সুরক্ষার মতো একাধিক পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন তিনি। মহরমের সময় তলোয়ার নিয়ে মিছিল বা প্রদর্শনের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।এরপরই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তিনি জানান, কিছুদিনের মধ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হবে। একইসঙ্গে এক দেশ, এক প্রধান, এক রাজ্য, এক মুখ্যমন্ত্রী, এক আইন-এর কথাও বলেন তিনি।ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা নিয়েও নতুন আইনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আরও দুটি কাজ তাঁর বাকি রয়েছে। তার মধ্যে ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা সংক্রান্ত আইন আনার বিষয়টি রয়েছে।তবে শুধু আইন বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, জঙ্গলমহলের উন্নয়নকেও আগামী দিনের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছেন শুভেন্দু। আগামী তিন মাসের জন্য এই এলাকার উন্নয়ন নিয়ে একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরির কথাও জানিয়েছেন তিনি।বাঁকুড়ার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ধর্ম পরিবর্তন ও জমি কেনাবেচা নিয়ে প্রস্তাবিত আইন কেমন হবে এবং কবে তা কার্যকর হবে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

দেবরাজের ‘১০০ কোটির’ সম্পত্তির হদিশ! তোলাবাজির অভিযোগের তদন্তে এবার নজরে ৩০টি সম্পত্তি

দেবরাজ চক্রবর্তীকে ঘিরে তদন্তে আরও তথ্য সামনে আসছে। সিন্ডিকেট চক্র চালানো এবং তোলাবাজির মতো একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া এই তৃণমূল নেতার প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৩০টি সম্পত্তির তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সেই তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে জানানো হয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দেবরাজ চক্রবর্তী এবং তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সিকে ঘিরে গ্রেপ্তারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। অদিতিকে আপাতত গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে দেবরাজ কোনও রক্ষাকবচ পাননি বলে জানা যায়। এরপর বেশ কিছুদিন গা-ঢাকা দিয়ে থাকার পর পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারীদের অভিযোগ, রাজারহাট এবং আশপাশের এলাকায় সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে বিপুল টাকা তোলা হয়েছিল। গত কয়েক বছরে সেই টাকা ব্যবহার করে দেবরাজ বিপুল সম্পত্তি তৈরি করেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৩০টি সম্পত্তির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে দমদম, নিউটাউন এবং বাগুইআটির মতো এলাকায় সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। উত্তরবঙ্গেও তাঁর সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই সম্পত্তিগুলির সবকটি সরাসরি দেবরাজের নামে রয়েছে কি না, তা এখনও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের অনুমান, পরিচিত এবং ঘনিষ্ঠদের নাম ব্যবহার করে বেশ কিছু সম্পত্তি কেনা হয়ে থাকতে পারে। গত পাঁচ বছরে, অদিতি মুন্সি বিধায়ক থাকার সময়ে এই সম্পত্তিগুলির বেশিরভাগ তৈরি হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশের দাবি, ওই প্রায় ৩০টি সম্পত্তির বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ১০০ কোটি টাকা হতে পারে। সম্পত্তিগুলির মালিকানা, কেনার সময়, অর্থের উৎস এবং লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই সংক্রান্ত তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।দেবরাজের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে। সেই অভিযোগের সঙ্গে তাঁর সম্পত্তি বৃদ্ধির কোনও যোগ রয়েছে কি না, সেটিই এখন তদন্তকারীদের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একই সঙ্গে কার নামে সম্পত্তি কেনা হয়েছিল এবং সেই সম্পত্তি কেনার টাকা কোথা থেকে এসেছিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর মধ্যেই বারাসত আদালতে দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা বলে জানা গিয়েছে। এবার সম্পত্তির নতুন তথ্য সামনে আসায় তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal